ব্র্যাক ব্যাংক লোন

ব্র্যাক ব্যাংক লোন পদ্ধতি

অনেক অনেক সময় আমাদের অনেক কিছু কিনতে মনে চায় কিংবা অনেক কিছু করার জন্য টাকা-পয়সার প্রয়োজন হয় । কিন্তু টাকা না থাকার  কারনে আমরা বিভিন্ন ব্যাংক থেকে লোন নেওয়ার চিন্তাভাবনা করি।তাই আজকে আমরা ব্র্যাক ব্যাংক লোন পদ্ধতি সম্পর্কে জানব ।

আরো পড়ুন,

বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে ব্যাংক থেকে লোন পাওয়া খুবই ঝামেলার ব্যাপার ।

অনেক সময় দেখা যায় সঠিক তথ্যের অভাবে অনেকেই জানিনা কোন ব্যাংক কোন কোন ক্ষেত্রে লোন দেয়। কিংবা লোনের সুদের হার কেমন , কতদিনের জন্য লোন দেয় এবং লোন পেতে গেলে কি কি থাকতে হয় বা ব্যাংকে কি কি দেখাতে হয় ।

আজকে আমরা ধারাবাহিকভাবে দেখব বাংলাদেশের অন্যতম একটি বেসরকারি ব্যাংক; ব্র্যাক ব্যাংক থেকে লোন পাওয়ার পদ্ধতি ।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, লোন পরিশোধের সময়, যে পরিমাণ সম্পত দেখাতে হয় , কোন কোন ক্ষেত্রে কত টাকা লোন দেওয়া হয় প্রভৃতি তথ্য সম্পর্কে আজকে আমরা জানব ।

যে সকল কাগজপত্র প্রয়োজন হয় 

  1. ব্যাংক স্টেটমেন্ট ।
  2. জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি।
  3. পাসপোর্ট সাইজের ছবি ।
  4. ট্যাক্স রিটার্ন বা ট্যাক্স ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট।( প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
  5. চাকুরীজীবী হলে স্যালারি একাউন্টের স্টেটমেন্ট ।
  6. ব্যবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্স এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক একাউন্টের স্টেটমেন্ট ।
  7. নির্দিষ্ট মাসিক বেতন ।
  8. এছাড়াও কার লোনের জন্য গাড়ির কাগজপত্র এবং হোম লোনের জন্য বাড়ি, ফ্ল্যাট বা প্লটের কাগজপত্র প্রয়োজন হবে।

পার্সোনাল লোন 

ব্র্যাক ব্যাংকের পার্সোনাল লোন চিকিৎসার জন্য, বিয়ের জন্য বা নিজের যে কোন প্রয়োজনীয় কোন বস্তু কেনার জন্য কিংবা যে কোন প্রয়োজনে ব্র্যাক ব্যাংক থেকে এ লোন পাওয়া যায় । যার পরিমাণ সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

লোনের পরিমাণ এক লক্ষ থেকে বিশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। যা ১২ থেকে ৬০ মাসের মধ্যে পরিশোধ করতে হয়।

এখানে সুদের হার নির্দিষ্ট নয় এটা ব্যাংক কর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত হয়।লোনের ০.৫০ শতাংশ টাকা লোন প্রসেসিং ফি হিসেবে কাটা হয় ।

 গ্রাহকের বয়স সর্বনিম্ন ২৫ বছর এবং সর্বোচ্চ ৬৫ বছরের মধ্যে হতে হবে । 

ব্র্যাক ব্যাংক হোম লোন 

নির্মাণাধীন বাড়ি, আধা নির্মাণ করা বাড়ি কিংবা নতুন বাড়ি , ফ্ল্যাট , প্লট ইত্যাদি কেনার জন্য ব্র্যাক ব্যাংক লোন দিয়ে থাকে। এই ঋণ গ্রহণ করে গ্রাহকরা তাদের নিজের বাড়ি করার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন।

ব্যাক ব্যাংক হোম লোন

ঋণের পরিমাণ, সুদের হার এবং পরিশোধের সময় ব্যাংকের শাখা কর্তৃক নির্ধারিত হবে ।

আপনার মাসিক আয় এবং অন্যান্য বিষয়ের উপর বিবেচনা করে ঋণের পরিমাণ নির্ধারিত হবে  ।

লোনের পরিমাণ ৫০ লক্ষ টাকার মধ্যে হলে তার ০.৫০ শতাংশ টাকা প্রসেসিং ফি হিসেবে কাটা হবে । যা সর্বোচ্চ ১৫০০০ টাকা পর্যন্ত হবে । এবং লোন ৫০ লক্ষ টাকার বেশি হলে ০.৩০ শতাংশ টাকা লোন  প্রসেসিং ফি হিসেবে কাটা হবে যা সর্বোচ্চ 20 হাজার টাকা পর্যন্ত হবে।

ব্র্যাক ব্যাংক কার লোন 

কার লোনকে ব্র্যাক ব্যাংকের অটো লোন বলা হয়ে থাকে ।

ব্যাক ব্যাংক কার লোন

এই লোন নিয়ে আপনি নতুন গাড়ি সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি কিন্ডারি কন্ডিশন গাড়ি কিনে নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন।

গাড়ি ক্রয়ের ৫০ শতাংশ টাকা ব্যাংক কর্তৃক ঋণ দেওয়া হবে ।

যার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৪০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে ।

লোন নেওয়ার সময় ০.৫০ শতাংশ টাকা প্রসেসিং ফি হিসেবে কাটা হবে যার পরিমাণ সর্বোচ্চ ১৫০০০ টাকা। 

ঋণ ১২ থেকে ৭২ মাসের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।

আমার শেষ কথা 

আজকের পোস্টে আমরা ব্র্যাক ব্যাংকের বিভিন্ন ধরনের লোন স্কিম সম্পর্কে জানলাম ।

আশা করি আপনারা সব তথ্য পেয়ে উপকৃত হয়েছেন ।

এরকম আরো তথ্যের জন্য আমাদের ব্লগটি ঘুরে দেখতে পারেন ।

এছাড়াও আপনার যদি নির্দিষ্ট কোন ব্যাংক বা নির্দিষ্ট কোনো বিষয় সম্পর্কে জানার ইচ্ছা থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানাতে পারেন । 

আজকে এ পর্যন্তই ধন্যবাদ।

1 thought on “ব্র্যাক ব্যাংক লোন পদ্ধতি”

  1. Pingback: জনতা ব্যাংক লোন পদ্ধতি - NurPost

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Share via
Copy link
Powered by Social Snap